Google search

Story of swami vivekanand

Story of swami vivekananda
Story of swami vivekananda
                                               Story of swami vivekanand

Swamiji used to tell very good stories. Whenever the time came, Swamiji would tell stories to his guru brothers and disciples, and each story contained a lesson.


Once Naradamuni became very worried. What is 'maya', what does it mean, what does it mean - he is not able to get proper knowledge about anything. In this situation Naradamuni came to Sri Krishna in Dwarka with great thought. He rested his head at Krishna's feet and said, "Lord, what is Maya?" How is 'Maya'! Explain its true meaning to me. "Sri Krishna smiled mischievously and said," Okay Narad I will say, stay with me for a while before that. "


A few days later, Sri Krishna and Naradamuni went for a walk. After going some distance, Lord Krishna said, "I am very thirsty for water, give me some water." I am bringing it now, Lord, said Naradamuni and ran in search of water.


Seeing a hut in the distance, Naradamuni went there and asked for water. A beautiful girl opened the door. Naradamuni saw the girl and forgot everything. The girl said sweetly, "Sir, come in, tell me what I can do to help." Naradamuni came and sat inside the room like a hypnotist, but in his mind then how to get the beautiful girl as his wife - just that thought. Seeing that the stranger was just staring at her without saying a word, the girl left the house ashamed and sent her father away. An old man entered the room and addressed Muni, saying, "Welcome to my poor cottage. Please stay with us as long as you want."


Naradamuni stayed there and his acquaintance with the girl increased. One day Naradamuni offered love to the girl and proposed marriage to her father. When the girl's old father gladly agreed, Naradamuni married the girl. Thus twelve years passed. Naradamuni and his wife have three sons and daughters. Meanwhile, his wife's old father has died. Nadarmuni has got all the houses, lands and properties of the old man.


Naradamuni is having a happy family. But one day the river overflowed in heavy rain and flooded the whole village. Naradamuni grabbed his wife with one hand, two children with the other, and left the drowned house with the other one on his shoulders. After going some distance, in the strong current of water, the baby suddenly slipped and drowned. Wailing to save him, the two children who were holding his hand drowned in the current of water. Naradamuni became mad with rage. The husband and wife grabbed each other and started fighting with the water. But this time his beloved wife also drowned in the current of water. Naradamuni fell on the bank of the river. Screaming like crazy, he began to say to God, "Oh God, what crime am I committing, for whose sake you punished me? What do I need in this life now! O cruel God, kill me too ..."


Suddenly a quiet voice was heard from behind, "Boy, where is the water! It's been half an hour since you came to fetch water for me .."


Naradamuni looked in amazement and saw Lord Krishna standing in front of him. The stunned Naradamuni stared in surprise and said, "The same Lord .. You are here! .. Then in a tone of complaint he said," Lord, twelve years have passed, something has happened, and you say half an hour! .. "


Lord Krishna smiled and said, "Son Narad, you wanted to know the meaning of 'Maya' .. This is 'Maya' .. This is 'Maya'.

Swamiji looked at everyone present and said, "Don't forget what is the purpose and purpose of life in the magic of Maya .. Tie yourself firmly .. Keep a watchful eye on the game of Maya ..

🌸🌼🌸🍂👣



Source: Story in the Face of Swamiji -udbodhan office(1990)

স্বামীজী খুব ভালো গল্প বলতেন। সময় সুযোগ পেলেই স্বামীজী তাঁর গুরুভাই ও শিষ‍্যদের গল্প বলতেন, আর প্রতি গল্পেই থাকত এক একটা শিক্ষা। 

একবার নারদমুণি খুব চিন্তায় পড়লেন। 'মায়া' কী, তার মানে কী, অর্থ কী - তিনি কিছুতেই ঠিকমত জ্ঞানলাভ করতে পারছেন না। এই অবস্থায় নারদমুণি খুব চিন্তা নিয়ে এলেন দ্বারকায় শ্রীকৃষ্ণের কাছে। শ্রীকৃষ্ণের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বললেন- ''প্রভু, 'মায়া' কাকে বলে! 'মায়া' কেমন! তার প্রকৃত অর্থ আমাকে বুঝিয়ে দিন।" শ্রীকৃষ্ণ দুষ্টু হাসি হেসে বললেন, "ঠিক আছে নারদ আমি বলবো, তার আগে আমার সঙ্গে কিছুদিন থাকো।" 

এইরকম কিছুদিন পরে একদিন শ্রীকৃষ্ণ ও নারদমুণি ঘুরতে বেড়ালেন। কিছুদূর যাওয়ার পরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন, "আমার খুব জল তেষ্টা পেয়েছে, আমাকে একটু জল খাওয়াও।" এক্ষুনি আনছি প্রভু, বলে নারদমুণি ছুটলেন জলের খোঁজে।

কিছুদূরে এক কুটির দেখতে পেয়ে নারদমুণি সেখানে গিয়ে জল চাইলেন। দরজা খুলে দাঁড়ালেন এক সুন্দরী মেয়ে। নারদমুণি মেয়েটিকে দেখে সব ভুলে গেলেন। মেয়েটি মিষ্টি কথায় বললে, "মহাশয় ভেতরে আসুন, বলুন আমি কী সাহায‍্য করতে পারি।" নারদমুণি সম্মোহিতের মত ঘরের ভেতরে এসে বসলেন, কিন্তু তাঁর ভাবনায় তখন সুন্দরী মেয়েটিকে নিজের স্ত্রী হিসাবে কীভাবে লাভ করা যায়-  শুধু সেই চিন্তা। আগন্তুক কোনও কথা না বলে কেবল তাকিয়ে আছে দেখে লজ্জায় মেয়েটি ঘর ছেড়ে গিয়ে তার বাবাকে পাঠিয়ে দিলো। এক বৃদ্ধ ঘরে প্রবেশ করে মুণিকে সম্মোধন করে বললেন, "আমার দরিদ্র কুটিরে আপনাকে স্বাগত জানাই। দয়া করে যতদিন ইচ্ছে আমাদের সঙ্গে থাকুন।"

নারদমুণি সেখানে থেকে গেলেন এবং মেয়েটির সাথে তাঁর আলাপ-পরিচয় বেড়ে গেল। একদিন নারদমুণি মেয়েটিকে প্রেম নিবেদন করে তার বাবার কাছে মেয়েটিকে বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। মেয়েটির বৃদ্ধ বাবা সানন্দে রাজি হলে, মেয়েটিকে নারদমুণি বিবাহ করলেন। এইভাবে বারো বছর কেটে গেল। নারদমুণি ও তাঁর স্ত্রীর তিনটি ছেলে-মেয়ে হয়েছে। ইতিমধ‍্যে স্ত্রীর বৃদ্ধবাবা মারা গেছেন। বৃদ্ধের সমস্ত বাড়ী-জমি-সম্পত্তি নাদরমুণি লাভ করেছেন।

সুখের সংসার করছেন নারদমুণি। কিন্তু একদিন অতি বৃষ্টিতে নদী উপচে বান এলো, ভাসিয়ে দিল গোটা গ্রাম। নারদমুণি একহাতে ধরলেন স্ত্রী'কে, অন‍্যহাতে দুই বাচ্চা, আর বাকি এক বাচ্চাকে নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে ডুবে যাওয়া ঘর ছাড়লেন। কিছুদূর যাওয়ার পরে জলের তীব্র স্রোতে কাঁধের বাচ্চাটি হঠাৎ পিছলে গিয়ে জলে ডুবে গেল। হাহাকার করে তাকে বাঁচাতে গিয়ে অন‍্য হাতে ধরা দুটি বাচ্চাও জলের স্রোতে তলিয়ে গেল। রাগে ক্ষোভে নারদমুণি পাগলের মতো হয়ে গেলেন। স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে আঁকরে ধরে জলের সাথে লড়াই করতে লাগলেন। কিন্তু এবার প্রিয়তমা স্ত্রী'ও জলের স্রোতে তলিয়ে গেলেন। নারদমুণি ছিটকে পড়লেন নদীর তীরে। পাগলের মতো চিৎকার করে তিনি ভগবানের উদ্দেশ‍্যে বলতে লাগলেন, "হে ভগবান, কী অপরাধ আমি করছি, যার জন‍্য আমায় এই শাস্তি দিলে? আমার এখন এ জীবনের কী প্রয়োজন! হে নিষ্ঠুর ভগবান আমাকেও মেরে ফেলো ..."

হঠাৎ পেছন থেকে শোনা গেল শান্ত এক স্বর, "বৎস, জল কোথায়! আধঘন্টা হয়ে গেছে তুমি আমার জন‍্য জল আনতে এসেছো .."

বিষ্ময়ে নারদমুণি তাকিয়ে দেখেন সামনে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ দাঁড়িয়ে। হতবাক নারদমুণি অবাক চোখে তাকিয়ে থেকে বলেন, "একি প্রভু .. আপনি এখানে ! ..  তারপর অভিযোগের সুরে তিনি বললেন, "প্রভু, বারো বছর কেটে গেছে, কতকিছু ঘটে গেছে, আর আপনি বলছেন আধঘন্টা! .."

শ্রীকৃষ্ণ হাসলেন, বললেন, "বৎস নারদ, তুমি জানতে চেয়েছিলে 'মায়া'র অর্থ ..  এই হ'ল 'মায়া' ..  এটাই 'মায়া'।
*
*
স্বামীজী এবার উপস্থিত সকলের দিকে তাকিয়ে বললেন, "মায়া'র জাদুতে ভুলে যেওনা জীবনের লক্ষ‍্য আর উদ্দেশ‍্য কী .. দৃঢ়ভাবে নিজেকে বেঁধে রেখো ..  মায়া'র খেলাতে রেখো সতর্ক দৃষ্টি।।
🌸🌼🌸  🌸🌼🌸🍂👣 💞

তথ‍্যসূত্র: স্বামীজীর মুখে গল্প- উদ্বোধন কার্যালয় (১৯৯০)

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.